I write to understand what remains after everything leaves

Author: iasvision2000@gmail.com Page 3 of 6

‘সেক্স অ্যান্ড ফিলোসফি’ উপন্যাস নিয়ে পাঠ-প্রতিক্রিয়াগুলি — রিনি গঙ্গোপাধ্যায়:

এইমাত্র শেষ করলাম ‘সেক্স অ্যান্ড ফিলোসফি’। আহা কী পড়ালেন অর্জুন। কী লিখেছেন! চমৎকার একটি উপন্যাস। দার্শনিক প্রস্থানগুলি চমৎকার। বিশেষত বৃদ্ধ শিল্পী একইসঙ্গে সুলতানাকে আঁকছে এবং একইসঙ্গে ভুলে যাচ্ছে এ বড়ো অদ্ভুত! এমনটাই তো আসলে হয়। আমরা বুঝি না।

‘সেক্স অ্যান্ড ফিলোসফি’ উপন্যাস নিয়ে পাঠ-প্রতিক্রিয়াগুলি — মাসুমুল আলম:

দেখে মনে হবে পরিত্যক্ত দূর্গ, কিন্তু ভেতরে ঢুকে পড়লেই যেন প্যারিসের কোন প্যালেস, আদতে রকমারি সুবিধা সংবলিত একটা যৌনফ্ল্যাটে তিনজন পুরুষ আর তিনজন নারীর কাহিনি এই উপন্যাস– ‘সেক্স অ্যান্ড ফিলোসফি’।
অর্জুন বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই উপন্যাসের ভাষাবিস্তারে এমন সব অন্তর্ঘাতী চিন্তারাশি আছে, যার সামনে পাঠককে কেবল বিস্মিত না, তাকে টানটান সতর্কও থাকতে হয়।
নন্দনের নামে ভাষার কোনো শুচিবায়ুগ্রস্ততা নেই, বরং চাঁছাছোলা ঠিকঠাক ধরতাইটা আছে।

‘সেক্স অ্যান্ড ফিলোসফি’ উপন্যাস নিয়ে পাঠ-প্রতিক্রিয়াগুলি — মণিদীপা বিশ্বাস কীর্তনীয়া

‘সেক্স অ্যান্ড ফিলোসফি’ আমার তো বেশ ভালো লেগেছে। এই উপন্যাসের ভাষা কবিতার মতন। পড়তে পড়তে মনে অনেকরকম ছবি আসছিল, সুররিয়ালিস্ট ছবি, যে লেখা পড়ে আমার মনে অনেক ছবি ভাসে, সেটা আমার অনেক বেশি পছন্দের। মনে পড়ছিল অরুণেশ ঘোষের কবিতার কথা। ‘সেক্স অ্যান্ড ফিলোসফি’-র মধ্যে যৌনতা আছে, যে যৌনতার মধ্যে যে সৌন্দর্য আর বিষাদ থাকে, যেটা তাকে অনেকটা শুদ্ধ করে, তার জান্তব ক্ষিদের চাইতে মানব মনের ইমোশন ভালোবাসা জুড়ে থাকে যে যৌনতায়, সেটা এমন, তার মধ্যেই আমি অর্থ খুঁজে পাই বেশি করে। অর্জুন বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই উপন্যাস ব্যক্তিগতভাবে আমায় প্লেজার দিয়েছে।

‘সেক্স অ্যান্ড ফিলোসফি’ উপন্যাস নিয়ে পাঠ-প্রতিক্রিয়াগুলি — বিনায়ক দত্ত

অর্জুন বন্দোপাধ্যায়ের ‘সেক্স এন্ড ফিলোসফি’ বইটার কিছুটা পড়লাম। বেশ ডেয়ারিং বই। সাথে সাহিত্য গুণে ভরা৷ প্রথম অধ্যায়ে টানা গল্প দেখে শুরুতেই মনটা বিগড়ে গেছিল। পরের চ্যাপ্টারগুলো এমন নয়, তাই বাঁচোয়া। গল্পদাদুর আসর আমার একদম না-পসন্দ। তারপর শুরু করলাম বইয়ের যে কোনো পাতা খুলে পড়া, পড়ার এই টেকনিকটা শিখেছিলাম কৌশিক সরকারের কাছে, বইটা বেশ ভালোই লাগলো।

‘সেক্স অ্যান্ড ফিলোসফি’ উপন্যাস নিয়ে পাঠ-প্রতিক্রিয়াগুলি — শুভ্রা মুখার্জি

মাথার ভেতরে আরও একটা মাথা, মনের গভীরে আরও একটা মন। গল্প বুনতে বুনতে একটা বিরাট জালের মতো করে তাকে পাঠকের শরীরে ছড়িয়ে দেওয়ার এক বিচিত্র কৌশল অর্জুন জানে। যে-মায়াবিস্তার শুরু হয়েছিল প্রথম অংশে তাই পরের অংশে এসে চরম রতিসুখ দিয়েছে। অনন্তের দিকে উত্থান আর চরম সময়ের মন্থন ও ঝাঁকুনি দেওয়া স্খলন, এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া অসম্ভব নিখুঁত আর শক্তিশালী লেখনীতে ফুটিয়েছে ও। সাহসের প্রশংসা করে এই লেখাকে আলাদা করে কোনও শিলমোহর আমার দেওয়ার প্রয়োজন নেই। ওর আগের লেখা বা ওর জীবনের সামান্য জানলেই জানা যায় ওর সাহস কতখানি। নিজের জন্য একান্ত নিজেরই জন্য গদ্যভাষার নির্মাণ করেছে অর্জুন এবং এই বইটিতে ইচ্ছেমতো খেলা করেছে তার সাথে।

ব্রেনফিভার — লিখেছেন:রিনি গঙ্গোপাধ্যায়

অর্জুন বন্দ্যোপাধ্যায়-এর ব্রেনফিভার উপন্যাসটা এই শেষ করে উঠলাম। যে কোনো উপন্যাসের লেখক অভিপ্রেত সব অর্থই হৃদয়ঙ্গম করতে পেরেছি – এমন কথা কখনো জোর দিয়ে বলতে পারিনি আমি। সাহিত্যের তো নানা স্তরায়ণ থাকে! সেই সঙ্গে সাহিত্যের নানা ব্যাখ্যাও থাকে। ব্যাখ্যা করা অবশ্য অধ্যাপকের কাজ। আমি পাঠক। তাই আমি আমার জীবন অভিজ্ঞতা দিয়ে সাহিত্যকে অনুধাবন করার চেষ্টা করি। রফিকুল চরিত্রটিকেও লেখক সেই ভাবেই উপস্থাপন করেছেন। অন্তত তিনটি চরিত্রের কাছে সে তিনরকম। তাছাড়াও আছে রফিকুলের পিসিমা, আছে মরিয়ম।

ভারতীয় নোটবুক উপন্যাসের আলোচনা –লিখেছেন রিনি গঙ্গোপাধ্যায়

সাম্প্রতিকতম উপন্যাস যা পড়ে ভালো লাগছে সেগুলো নিয়ে কিছু লেখার চেষ্টা করছিলাম। এর আগে একটি উপন্যাস নিয়ে লিখেছিলাম। দ্বিতীয় উপন্যাস অর্জুন বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ভারতীয় নোটবুক’। এই উপন্যাসের আলোচনা করতে হবে খুব সাবধানে। কারণ এর গল্পাংশ তিন-চার বাক্যে বলে দেওয়া সম্ভব। কিন্তু সেটুকু নেহাতই বাইরের আবরণ। আসলে এই গল্পের স্রোতে সুদূর অতীত থেকে এক চলমান সময়কে ধরা হয়েছে। এক মৃত লেখক যে কেবল প্রীতিমূলক উপাদেয় লেখা লিখে যেতে চায়, যে স্মৃতিশূন্য, তার লিভিং ডেড ম্যান হয়ে, কেন্নোর মতো গুটিয়ে না গিয়ে, প্রকৃত অর্থে বেঁচে ওঠার কথা বলে এই উপন্যাস। এই উপন্যাসে চরিত্র সংখ্যা হাতে গোনা।

Page 3 of 6

© 2026 Arjun Bandyopadhyay. All rights reserved. | Website developed by Sudip Palodhi