এক অদ্ভুত ঘোরের মধ্যে জড়িয়ে ছিলাম শেষ করা অবধি, মাঝে মাঝে পড়তে পড়তে আগের আগের পাতাগুলো আবার চোখ বোলাতে হয়েছে, কারণ চরিত্রগুলোর মতো আমিও বারকয়েক পথ হারিয়েছি কিন্তু রস আস্বাদন করেছি আকণ্ঠ। সিনেমা, মিউজিক, পেইন্টিং, ফিলসোফি আর মদ এসব মিলেমিশে একটা দরবেশ রচিত হয়েছে যেন, যা খেলে আত্মানুসন্ধান হতেও পারে। আপনার অন্য বইগুলো পড়ার ইচ্ছা বাড়িয়ে দিলো।
Author: iasvision2000@gmail.com Page 2 of 6
বর্তমান সময়ে লেখা একমাত্র উপন্যাস যা দ্বিতীয়বার পড়েছি তা ‘সেক্স অ্যান্ড ফিলোসফি’। লেখক: অর্জুন বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমবার পড়েছিলাম ফেব্রুয়ারি মাসে, এখন আবার দ্বিতীয়বার পড়লাম। এই উপন্যাস এক স্পেকট্রোস্কোপিক পর্নোগ্রাফি। যৌন-রূপকথা। নিঃসঙ্গ অভিচার। পবিত্র পাপ। যৌন-আলস্য, যেন জীবনানন্দের কমলা রঙের রোদ। নির্জন দেহসাধনা, গুহ্যাচার অথচ প্রকাশ্যে। যৌনতার জাদু-বাস্তবতা। যাঁরা পড়েননি তাঁরা পড়তে পারেন। বাংলা ভাষায় এ’রকম লেখা আর নেই হয়তো।
‘সেক্স অ্যান্ড ফিলোসফি’ অর্জুন বন্দ্যোপাধ্যায় প্রণীত মিতায়তন অনন্য উপন্যাস। প্রচুর যৌনতা, কিন্তু লেখাটা কী অপূর্ব সুন্দর দিকে, দার্শনিকতা আর বড়দের রূপকথায় বদলে গেল…
উপন্যাসের মধ্যে অ্যামুনিশন, গেরিলা ওয়ারফেয়ার, প্রবল অস্বস্তি এবং তৎসত্ত্বেও তীব্র শরীরী আশ্লেষ না থাকলে ওসব ন্যাতাকানি পড়া ফালতু সময় নষ্ট৷
‘সেক্স অ্যান্ড ফিলোসফি’র গদ্যভাষাটি আমার আত্মার অস্বস্তি দিয়েছে যা আমি চাই। এই বই মার্ক করে করে আবার পড়তে হবে।
আহা! ইচ্ছে করে সবাই কে ঘাড় ধরে পড়াই। যিনি এই উপন্যাস পড়বেন না তাঁর জীবনে কিছু একটা না পড়া থেকে যাবে! এই উপন্যাস মায়াময় ঘোর । নিষিদ্ধ ঘোর। একজীবনের সমস্ত ডোপামিন-অক্সিটোসিন। এক বিস্ময় উপন্যাস!
“ডেঞ্জারাস লেখা” ~ গুরুদাস চক্রবর্তী
অতনু প্রামাণিক:
আহ্..... দুরন্ত টেক্সট একটা,লুপের মতো করে বনবন
‘আমার বিশ্বাস এই উপন্যাস বহুপাঠ্য হবে।’ ~ সুপ্রসন্ন কুণ্ডু~~~
“বড় ভালো উপন্যাস। আবহমান পত্রিকায় উপন্যাসটি প্রকাশ করতে পেরে গর্বিত” – বেবী সাউ
মধ্যবর্তী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশের পর থেকে উপন্যাসটি দুই বার পড়েছি, এখন বই আকারে আরও একবার পড়া শুরু করলাম। কী অসাধারণ লেখা, মুগ্ধ হয়ে যাই। ‘সেক্স অ্যান্ড ফিলোসফি’ অন্যতম প্রিয় উপন্যাস। বইটি পাঠক প্রিয় হোক
অর্জুনদা’, সারাদিন তোমার উপন্যাস পড়লাম। তোমাকে আমার আমাদের সময়ের গুরুত্বপূর্ণ লেখক মনে হয়। তোমার লেখা বন্ধুদের ডেকে পড়াই। হাতে টাকা-পয়সা জমলেই যে বইগুলি নেই, সেগুলি জোগাড় করে নেব। একটা লেখা পড়ার পর সেই অনুভূতি আমি ঠিক ভাষাতে প্রকাশ করতে পারি না। তবু বলি–একটা স্বপ্নঘোরের মধ্যে ছিলাম বলতে পারি, যা আমাকে জাগিয়ে তোলে, শিল্প আমাকে এই জাগরণ দেয়। পাঠ-অভিজ্ঞতা সম্বন্ধে এটুকু বলেই চুপ করি।