বঙ্কিমের অর্জুনচন্দ্র : অমিতাভ প্রহরাজ

অর্জুন বন্দ্যোর বঙ্কিম বা বঙ্কিমচন্দ্র বইটি নিয়ে আলোচনা করতে আমি খুবই সন্দিহান ছিলাম। তার কারণ দুটো। এক অর্জুনের সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত পরিচয়, সেটি এতটাই গভীর, দীর্ঘসময় বিস্তারী ও নিবিড় যে আমার পক্ষে অর্জুনের কোনও বই নিয়ে নির্মোহ আলোচকের দৃষ্টিভঙ্গি নেওয়া খুব কঠিন।
‘বঙ্কিমচন্দ্র’ উপন্যাস নিয়ে সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

৮ এপ্রিল, সোমবার, মানে বিকেল ৫টা ৪০। অফিসে ডেস্কে কপি দেখছি। মোবাইলটা পাশেই চার্জে বসানো ছিল। ফোন এল। নাম উঠে এল সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়। তার দেড় দু মিনিট আগেই বন্ধু, সহলেখক দেবর্ষি মেসেঞ্জারে মেসেজ করে বলে, অর্জুন তোমার ফোন নাম্বারটা দাও। সঞ্জয়দা চাইছেন। তারপর এই ফোন।

‘বঙ্কিমচন্দ্র’ উপন্যাস নিয়ে অর্জুনদেব সেনশর্মার আলোচনা
অধ্যাপক অর্জুনদেব সেনশর্মা আলোচনা করছেন ‘বঙ্কিমচন্দ্র’ উপন্যাস নিয়ে। মেধাবী এক আলোকরেখার মতো এই আলোচনায় এক মুক্ত শ্রেণিকক্ষে নিজেকে খুঁজে পাওয়া যায়। বাংলা ভাষার প্রেমিক ও প্রেমিকারা, শীতলপাটি পেতে বসুন।

পাঠকের গলায়
হাওড়া থেকে অচেনা একজন ‘বঙ্কিমচন্দ্র’-এর প্রথম পর্ব রেকর্ড করে পাঠালেন। অচেনা মানে, এটা পাঠাবার আগের মুহূর্ত অবধিও তাঁকে, অর্থাৎ পীতম চট্টোপাধ্যায়কে চিনতাম না। পড়তে পড়তে তাঁর যখন ইচ্ছে হচ্ছে কাউকে শোনাই বা পড়াই এই জায়গাটা, তখন তিনি কিছু কিছু অংশ রেকর্ড করে তাঁর বন্ধুদের পাঠিয়ে দিচ্ছেন।

অন্তরা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘বঙ্কিমচন্দ্র’ নিয়ে তাঁর পাঠ প্রতিক্রিয়া লিখছেন
বাংলা উপন্যাস সাহিত্যের বাঁকবদল যাঁর হাত ধরে, ‘বঙ্কিমচন্দ্র’-এর নামভূমিকায় তিনি। ঔপন্যাসিক যে শুধু চরিত্রের প্রয়োজনেই তাঁকে এনেছেন তা নয়, বরং কালচেতনার এক চিরন্তন বয়ান হিসেবে দাঁড় করিয়েছেন সূত্রধরের কাঠামোতে।

বঙ্কিমচন্দ্র : রিডার্স রিভিউ : অর্ক চটোপাধ্যায়
আমার দুর্দান্ত মনে হল। ইতিহাসের নানা মোড় এবং অভিঘাত জুড়ে জুড়ে যে প্রাতর্কিক পরিসর তৈরি করেছ তা শিহরণ জাগায়। আমি বলব হিস্টোরিকাল ফ্যান্টাসি। অভিসন্ধিমূলক এবং রোমান্টিক্যালি রাজনৈতিক। গদ্যের এই স্মার্টনেস তোমার থেকে প্রত্যাশিত। এক গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক দলিল।
একটা অত্যাবশ্যকীয় জার্নি যেন। পারা আর না পারার মিশেল কিভাবে সংঘবদ্ধ হচ্ছে লেখাটায়। একটা অ-গন্তব্যের ট্রেনের এক পাশ ফেরা জানলা। আর বাইরে দিয়ে এক এক করে পেরিয়ে যাচ্ছে জীবনপুরের ত্যাগ তিতীক্ষা মোহ কাম ক্রোধ মোক্ষ।
Pages: 12